হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একই ফ্লাইটে আগত সাত যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে ৩৮ দশমিক ৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। আটক মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর সূত্র জানায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেল, এয়ারপোর্টের সি-শিফট জানতে পারে, মুম্বাই থেকে ঢাকাগামী এয়ার ইন্ডিয়ার এআই২১৮৩ ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগেজে বিদেশি মদ রয়েছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরে পূর্বপরিকল্পিত নজরদারি জোরদার করেন কাস্টমস গোয়েন্দার কর্মকর্তারা।
ফ্লাইটটি সকাল ১০টা ৪৩ মিনিটের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে যাত্রীরা ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে ব্যাগেজ সংগ্রহের পর গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় সন্দেহভাজনদের ব্যাগেজে তল্লাশি চালান কাস্টমস গোয়েন্দার কর্মকর্তারা।
তল্লাশিতে আজমুল হকের ব্যাগ থেকে ১০ লিটার, মোজাম্মেল হক ভূঁইয়ার ব্যাগ থেকে ৭ লিটার, মো. ইমরানের ব্যাগ থেকে ৬ লিটার, বাবুল মিয়ার ব্যাগ থেকে ৬ লিটার, মো. নাফিজ সাবাতের ব্যাগ থেকে ৩ দশমিক ৫০ লিটার, আল আমিন শেখের ব্যাগ থেকে ৩ দশমিক ৫০ লিটার এবং সাদ্দাম হোসেনের ব্যাগ থেকে ৩ লিটার বিদেশি মদ পাওয়া যায়।
সব মিলিয়ে সাত যাত্রীর কাছ থেকে ৩৮ দশমিক ৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক করা হয়। আটক মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
একই আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে আসা একাধিক যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদেশি মদ উদ্ধারের ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা, নাকি সংঘবদ্ধভাবে মদ আনার সঙ্গে কোনো চক্র জড়িত—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আটক বিদেশি মদের বিষয়ে প্রচলিত কাস্টমস আইন ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে মদগুলো কীভাবে দেশে আনা হয়েছে এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, সে বিষয়েও তদন্ত করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

