NBR News & Views

এনবিআর কর্মকর্তা-কর্মচারি ও পরিবারের সদস্যদের সম্পদের হিসাব যাচাইয়ে সংসদীয় কমিটির জোর সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
এনবিআর কর্মকর্তা-কর্মচারি ও পরিবারের সদস্যদের সম্পদের হিসাব যাচাইয়ে সংসদীয় কমিটির জোর সুপারিশ

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সম্পদের হিসাব নিয়মিত জমা এবং দাখিল করা তথ্যের যথার্থতা যাচাইয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কর প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে এ উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী, পাঁচ বছর পরপর সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এনবিআর জানিয়েছে, ২০২৫ সালে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা সম্পদের বিবরণী জমা দিয়েছেন। সরকারের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী বছরগুলোতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত ২৩ আগস্ট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এনবিআরের কর-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, চেয়ারম্যান এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সম্পদের হিসাব ও বিবরণী ঘোষণার বিষয়টি আলোচনায় আসে। বৈঠকে কমিটির সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য মো. সাইফুল আলম কর ফাঁকি প্রতিরোধ এবং কর প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বিষয়টি নীতিগতভাবে বিবেচনার প্রস্তাব দেন।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, এনবিআরের কর-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সম্পদের হিসাব ও বিবরণী ঘোষণার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে। পরবর্তী সময়ে গত ৫ সেপ্টেম্বর কমিটির তৃতীয় বৈঠকে আগের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন দেয় এনবিআর। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা সম্পদের বিবরণী দাখিল করেছেন। সরকারের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী বছরগুলোতেও বিবরণী জমা দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব দেওয়ার নিয়ম নতুন নয়। এ বিষয়ে সরকারের পুরনো নির্দেশনা ও বিধান রয়েছে। বৈঠকে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসায় বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছিল। এনবিআরও সে অনুযায়ী প্রতিবেদন দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু সম্পদের বিবরণী জমা দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। দাখিল করা তথ্যে অসংগতি রয়েছে কিনা কিংবা কোনো সম্পদের তথ্য গোপন করা হয়েছে কিনা, তা যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা থাকতে হবে। বিশেষ করে রাজস্ব আহরণকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব যাচাইয়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদারকি প্রয়োজন।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, নিয়মিত সম্পদের হিসাব জমা দেওয়া ইতিবাচক উদ্যোগ। তবে অন্য করদাতাদের ক্ষেত্রে যেমন দৈবচয়নের ভিত্তিতে সম্পদের হিসাব নিরীক্ষাসহ বিভিন্ন ধরনের যাচাই করা হয়, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। এতে সম্পদের হিসাবে অসংগতি রয়েছে কিনা, তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে এবং মানুষের আস্থা বাড়বে।

এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদও সম্পদের বিবরণী যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতে, কর কর্মকর্তারা অন্যদের আয় ও সম্পদ যাচাই করেন। তাই তাঁদের নিজেদের সম্পদের হিসাব যাচাইয়ের ক্ষেত্রেও স্বয়ংক্রিয় ও স্বাধীন ব্যবস্থা থাকা উচিত। এটিকে কোনো নির্দিষ্ট সরকারের উদ্যোগ হিসেবে না দেখে স্থায়ী প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।

দুর্নীতির অভিযোগে একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

এনবিআরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও রাজস্ব ক্ষতির অভিযোগে বিভাগীয় ব্যবস্থা এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা হয়েছে। এসব ঘটনা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের বিবরণী যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

এনবিআরের সাবেক সদস্য মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলা করেছে দুদক। ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দায়ের করা মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ৫ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ২১৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। তদন্ত শেষে ২০২৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। একই বছরের ৩ আগস্ট ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচার শুরু হয়।

এনবিআরের অতিরিক্ত কমিশনার কাজী আবু মাহমুদ ফয়সলসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ১৭ কোটি ২১ লাখ ৯৪ হাজার ৩১৮ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা করেছে দুদক। ২০২৪ সালের জুনে আদালত ফয়সল, তাঁর স্ত্রী ও স্বজনদের ৮৭টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ এবং তাঁদের নামে-বেনামে থাকা স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেন।

এনবিআরের বৃহৎ করদাতা ইউনিটের সাবেক কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধেও ২০২৪ সালের ১১ জুন মামলা করে দুদক। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি ও এয়ারটেলের ১৬টি নথিতে মোট ১৫২ কোটি ৮৯ হাজার ৩৯০ টাকার অপরিশোধিত সুদ মওকুফ করেছিলেন। এতে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

২০২৫ সালের ৭ অক্টোবর এনবিআরের সদস্য মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন চৌধুরীর বিরুদ্ধেও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলা করে দুদক। দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, তাঁর সম্পদ বিবরণীতে ৮ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ১৬৬ টাকার সম্পদ দেখানো হলেও যাচাইয়ে ১৩ কোটি ৪৩ লাখ ৩০ হাজার ৮৭৯ টাকার সম্পদ পাওয়া যায়। এতে ৪ কোটি ৬০ লাখ ১৯ হাজার ৭১৩ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন এবং ৪ কোটি ৯৭ লাখ ৫১ হাজার ৩৯৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।

অন্যদিকে, ফরিদপুর কর অঞ্চলের অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার মোহাম্মদ মাসুদুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০২১-২২ করবর্ষে ট্রাইব্যুনালের আদেশ নিষ্পত্তির সময় আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে রাজস্ব ক্ষতিসংক্রান্ত কাজে সহযোগিতার অভিযোগ বিভাগীয় তদন্তে প্রমাণিত হয়। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও দুর্নীতিপরায়ণতার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০২৬ সালের ১ মার্চ জারি করা প্রজ্ঞাপনে তাঁর বেতন গ্রেড চার ধাপ অবনমিত করার দণ্ড দেওয়া হয়।

কর প্রশাসনে জবাবদিহির ঘাটতি

কর প্রশাসনে দুর্নীতি ও জবাবদিহির ঘাটতির চিত্র উঠে এসেছে সিপিডির এক গবেষণায়। সংস্থাটির জরিপে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর প্রায় ৪৫ শতাংশ জানিয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে কর-সংক্রান্ত সেবা নিতে গিয়ে তারা কর কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ঘুষের দাবি পেয়েছে। একই জরিপে ৭৯ শতাংশ প্রতিষ্ঠান কর কর্মকর্তাদের জবাবদিহির ঘাটতিকে সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ৭২ শতাংশের মতে, কর প্রশাসনে দুর্নীতি ব্যাপক। এ ছাড়া ৬৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠান কর কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রদেয় করের পরিমাণ নির্ধারণ নিয়ে নিয়মিত বিরোধের কথা জানিয়েছে।

সিপিডির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অনিয়ম ও জবাবদিহির ঘাটতি কর প্রশাসনে স্বচ্ছতার সংকট তৈরি করে এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ওপর করের বাইরে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ফলে সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার পাশাপাশি তা যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।

অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের তথ্যানুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে এনবিআরের মোট জনবল ছিল ১৬ হাজার ৩৫৯ জন। এর বাইরে ট্যাকসেস আপিলাত ট্রাইব্যুনালে ৭৪ জন এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালে ৪৭ জন কর্মরত ছিলেন। একই অর্থবছর শেষে এনবিআরের পুঞ্জীভূত বিভাগীয় মামলার সংখ্যা ছিল ১১৯টি। ওই সময়ে চারজনকে চাকরিচ্যুত, তিনজনকে অব্যাহতি এবং ৩৯ জনকে অন্যান্য দণ্ডসহ মোট ৪৬টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়।

এনবিআর-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একসময় সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের তথ্য যাচাইয়ের বিষয়টি মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে তদারক করা হতো। তবে এনবিআরের আপত্তির কারণে একপর্যায়ে তা বন্ধ হয়ে যায়। ২০২৪ সালে সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার জন্য প্রথমে ওই বছরের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে ২০২৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়। সে সময় অনেক সরকারি কর্মচারী সম্পদের হিসাব জমা দিলেও সেসব তথ্য যাচাই বা নিরীক্ষার বিষয়ে কার্যকর নির্দেশনা না থাকায় বিবরণীর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

এদিকে এনবিআরের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো সংস্কারের বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। বর্তমানে সংস্থাটি রাজস্ব আহরণ ও করনীতি প্রণয়নের দায়িত্ব পালন করে। স্বার্থের সংঘাত এড়াতে বিশ্বের অনেক দেশে করনীতি প্রণয়ন ও রাজস্ব সংগ্রহের কার্যক্রম পৃথক করা হয়েছে। বাংলাদেশেও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার রাজস্ব প্রশাসন সংস্কারের অংশ হিসেবে করনীতি ও কর সংগ্রহের কার্যক্রম আলাদা করার উদ্যোগ নেয়। এর ধারাবাহিকতায় রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নামে দুটি স্বতন্ত্র বিভাগ গঠনের প্রস্তাবসংবলিত অধ্যাদেশ জারি করা হয়। তবে এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনের মুখে পরে অধ্যাদেশটিতে সংশোধন আনা হয়।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর অধ্যাদেশটি যাচাই-বাছাই করে নতুনভাবে উত্থাপনের লক্ষ্যে গত এপ্রিলে একটি সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে প্রধান করে গঠিত নয় সদস্যের কমিটিকে আগের অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করে আরও কার্যকর ও প্রয়োগযোগ্য নতুন বিল উত্থাপনের বিষয়ে সুপারিশ দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, রাজস্ব প্রশাসনের কাঠামোগত সংস্কারের পাশাপাশি এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের বিবরণী নিয়মিত জমা, তথ্যের যথার্থতা যাচাই এবং অনিয়মের ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে কর প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে। এতে রাজস্ব আহরণকারী প্রতিষ্ঠানটির প্রতি করদাতাদের আস্থা জোরদার হওয়ার পাশাপাশি দুর্নীতির সুযোগ কমানোর পথও তৈরি হবে।