মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির ঘটনায় কাহফ কর্পোরেশনের কাছ থেকে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের আইসিডিতে ৬৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটি পণ্যের পরিমাণ কম দেখিয়ে শুল্কায়ন সম্পন্ন করলেও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেলের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানটি আটক করে কায়িক পরীক্ষা করা হলে ঘোষণার সঙ্গে পণ্যের পরিমাণে বড় ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া যায়।
প্রেস রিলিজে জানানো হয়, কাহফ কর্পোরেশন ৩৭ মেট্রিক টন হিট ট্রান্সফার পেপার এবং ১০ মেট্রিক টন পিভিসি ফ্লেক্স ব্যানার ঘোষণা দিয়ে ২৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে বিল অব এন্ট্রি নম্বর ২২৫৪৮৫ দাখিল করে। পরবর্তীতে এসব পণ্যের শুল্কায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। ঘোষিত পণ্যের ভিত্তিতে শুল্ক ও করাদির পরিমাণ দাঁড়ায় ৫৭ লাখ ৩৮ হাজার টাকা।
পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেলের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমদানি পণ্যচালানটি লক করে কায়িক পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় দেখা যায়, ঘোষণায় ৩৭ মেট্রিক টন হিট ট্রান্সফার পেপার উল্লেখ করা হলেও প্রকৃতপক্ষে পাওয়া যায় ১৯ দশমিক ৮৫ মেট্রিক টন। অন্যদিকে ১০ মেট্রিক টন পিভিসি ফ্লেক্স ব্যানারের ঘোষণা দেওয়া হলেও পরীক্ষায় পাওয়া যায় ২৬ দশমিক ৭৯ মেট্রিক টন।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য পাওয়ায় জরিমানাসহ পুনর্নির্ধারিত শুল্ক ও করাদির পরিমাণ দাঁড়ায় ১ কোটি ২৫ লাখ ২৯ হাজার ৩২১ টাকা। ফলে পূর্বে নির্ধারিত রাজস্বের তুলনায় অতিরিক্ত প্রায় ৬৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে।
কাস্টমসের গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে আমদানিকারকের ঘোষণার সঙ্গে প্রকৃত পণ্যের পরিমাণের অসঙ্গতি শনাক্ত হওয়ায় সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় নিশ্চিত হয়েছে।

